আসিফ আকবর:
আমরা জাতি হিসেবে খুবই অনুভূতিপ্রবন।এটা অবশ্যই সারা বিশ্বে বিরল উদাহরন। সমস্যা হচ্ছে এই অনুভূতির জায়গাটার দুটো স্ববিরোধী অবস্থান খুব প্রকট আকার ধারন করেছে আরো অনেক আগেই।একটা অনুভূতি গিয়ে ঠেকেছে অতি রাজনীতি প্রবনতায়, আরেকটা গিয়ে ঠেকেছে অতি সামাজিকতা প্রবনতায়।সামাজিকতা আর রাজনীতির একসাথে পথচলা এদেশে এখন বিস্মৃত অতীত।যে কারনে বিভেদ বিভক্তি বিভাজনে জাতি আজ খন্ড বিখন্ড। অবিশ্বাস সন্দেহ প্রতিহিংসার আগুনে জ্বলছে সুকুমার অনুভূতিগুলো।
দেশের কথা বাদ দিলাম। বিদেশে যাওয়া কিংবা আসার সময় এয়ারপোর্টে কিছু লোকের সঙ্গে কিছু খাজুরা আলাপ করতে হয়।প্রথমে এসে বলে, ভাই আমি আপনার ভক্ত, আমরা দুজনেই কুমিল্লার লোক, তারপর এদিক ওদিক তাকিয়ে বলবে আমি আপনার দলেরই লোক। আর যদি কোন ভাবে পরিবারের কাউকে চেনে তাহলে অন্য আর কাউকে কথা বলার সুযোগ দিবেনা না থামানো পর্যন্ত। আমার স্বল্পমেয়াদী মেজাজটা পুইং করে খিঁচড়ে যায়।তখন বলেই ফেলি আপনারা পুরো বাংলাদেশ নিয়ে ভাবতে পারেননা পজিটিভলি !!! সারা পৃথিবীর যে প্রান্তেই বাংলাদেশী আছে তারা সবাই সবক্ষেত্রে বিভক্ত।দেশ থেকে নেতারা গিয়ে তাদের আতিথ্য নিয়ে সাধারন প্রবাসীদের মধ্যে রাজনৈতিক বিষোদগারের বীজ বপন করে আসে। আর দেশের শীর্ষ রাজনীতিকরা দল মত নির্বিশেষে নিজেদের মধ্যে আত্মীয়তা গড়ে তুলে নিজের আখের সেটিং করে রাখে।সাধারন মানুষ থাকে জিন্দাবাদ আর জয় বাংলার কাটাকাটিতে।দেশের মানুষের মধ্যে বৃটিশদের ডিভাইড এন্ড রুল পলিসি বরাবরের মত বলবৎ।এসব কথা অতীতে বহুবার বলেছি, বলেই যাবো।
দিনশেষে খড়গ চলে সাধারন পাবলিকের উপর।বিভক্তির জোয়ারে ভেসে যায় নানান রকম অনিয়ম দুর্নীতি বন্যা জলোচ্ছ্বাস প্রানঘাতি রোগশোকের মত ইস্যুগুলো। দলকানার দল সবসময় যে কোন ভাবেই ভেবে নিবে এসমস্ত ইস্যু নিয়ে কথা বলা মানে সরকারের বিরোধিতা করা। ফলাফল জনতা দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে আত্মকলহে লিপ্ত, আরেকদিকে গুরুত্বপুর্ন বিষয়গুলো হয়ে পড়ছে গুরুত্বহীন। মানুষ ভুলেই যায় নগর পুড়লে দেবালয় বাঁচেনা। গতকাল একটা জোকস শুনলাম যেটি বাংলাদেশের মানুষের জন্য শতভাগ প্রযোজ্য। শিক্ষক ছাত্রকে বলছে তিনের নামতা পড়তে, ছাত্র পড়ছে- তিন একে তিন তিন দু গুনে ছয়, টেট্টে টে টে টে টেট্টে টে টে টে। শিক্ষক ধমক দিয়ে বললেন পুরো নামতা পড়তে, ছাত্র বলে স্যার কথা ভুলে গেছি তবে সুরটা মনে আছে...🤪
দেশের কথা বাদ দিলাম। বিদেশে যাওয়া কিংবা আসার সময় এয়ারপোর্টে কিছু লোকের সঙ্গে কিছু খাজুরা আলাপ করতে হয়।প্রথমে এসে বলে, ভাই আমি আপনার ভক্ত, আমরা দুজনেই কুমিল্লার লোক, তারপর এদিক ওদিক তাকিয়ে বলবে আমি আপনার দলেরই লোক। আর যদি কোন ভাবে পরিবারের কাউকে চেনে তাহলে অন্য আর কাউকে কথা বলার সুযোগ দিবেনা না থামানো পর্যন্ত। আমার স্বল্পমেয়াদী মেজাজটা পুইং করে খিঁচড়ে যায়।তখন বলেই ফেলি আপনারা পুরো বাংলাদেশ নিয়ে ভাবতে পারেননা পজিটিভলি !!! সারা পৃথিবীর যে প্রান্তেই বাংলাদেশী আছে তারা সবাই সবক্ষেত্রে বিভক্ত।দেশ থেকে নেতারা গিয়ে তাদের আতিথ্য নিয়ে সাধারন প্রবাসীদের মধ্যে রাজনৈতিক বিষোদগারের বীজ বপন করে আসে। আর দেশের শীর্ষ রাজনীতিকরা দল মত নির্বিশেষে নিজেদের মধ্যে আত্মীয়তা গড়ে তুলে নিজের আখের সেটিং করে রাখে।সাধারন মানুষ থাকে জিন্দাবাদ আর জয় বাংলার কাটাকাটিতে।দেশের মানুষের মধ্যে বৃটিশদের ডিভাইড এন্ড রুল পলিসি বরাবরের মত বলবৎ।এসব কথা অতীতে বহুবার বলেছি, বলেই যাবো।
দিনশেষে খড়গ চলে সাধারন পাবলিকের উপর।বিভক্তির জোয়ারে ভেসে যায় নানান রকম অনিয়ম দুর্নীতি বন্যা জলোচ্ছ্বাস প্রানঘাতি রোগশোকের মত ইস্যুগুলো। দলকানার দল সবসময় যে কোন ভাবেই ভেবে নিবে এসমস্ত ইস্যু নিয়ে কথা বলা মানে সরকারের বিরোধিতা করা। ফলাফল জনতা দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে আত্মকলহে লিপ্ত, আরেকদিকে গুরুত্বপুর্ন বিষয়গুলো হয়ে পড়ছে গুরুত্বহীন। মানুষ ভুলেই যায় নগর পুড়লে দেবালয় বাঁচেনা। গতকাল একটা জোকস শুনলাম যেটি বাংলাদেশের মানুষের জন্য শতভাগ প্রযোজ্য। শিক্ষক ছাত্রকে বলছে তিনের নামতা পড়তে, ছাত্র পড়ছে- তিন একে তিন তিন দু গুনে ছয়, টেট্টে টে টে টে টেট্টে টে টে টে। শিক্ষক ধমক দিয়ে বললেন পুরো নামতা পড়তে, ছাত্র বলে স্যার কথা ভুলে গেছি তবে সুরটা মনে আছে...🤪

0 মন্তব্যসমূহ
Thank you for feedback