Epstein File
who is Jeffrey Epstein?
-
পেশা: ফাইন্যান্সার
-
অভিযোগ: অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের যৌন নির্যাতন ও মানবপাচার
-
অবস্থা: ২০১৯ সালে কারাগারে রহস্যজনকভাবে মৃত্যু
-
মামলা: দোষ প্রমাণের আগেই মৃত্যু হওয়ায় অনেক প্রশ্ন রয়ে গেছে
Epstein File-এ উল্লেখযোগ্য যেসব নাম পাওয়া গেছে
1️⃣ Prince Andrew (ব্রিটিশ রাজপরিবার)
-
Epstein–এর সাথে বন্ধুত্বের অভিযোগ
-
একজন ভিকটিম তার বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ করেন
-
মামলা আদালতের বাইরে সমঝোতায় নিষ্পত্তি
-
তিনি সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন
2️⃣ Bill Clinton (সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট)
-
Epstein–এর ব্যক্তিগত বিমানে ভ্রমণের রেকর্ড পাওয়া গেছে
-
কোনো অপরাধের অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি
-
তিনি অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেন
3️⃣ Donald Trump (সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট)
-
সামাজিক অনুষ্ঠানে Epstein–এর সাথে পরিচয়ের তথ্য আছে
-
পরে সম্পর্ক ছিন্ন করার দাবি করেছেন
-
Epstein কেসে তার বিরুদ্ধে সরাসরি কোনো অভিযোগ প্রমাণ হয়নি
4️⃣ Alan Dershowitz (আইনজীবী)
-
Epstein–এর ডিফেন্স আইনজীবী ছিলেন
-
এক ভিকটিম তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনেন
-
তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন এবং আইনি লড়াই করেন
5️⃣ Ghislaine Maxwell
-
Epstein–এর ঘনিষ্ঠ সহযোগী
-
ভিকটিম সংগ্রহ ও পাচারে সহায়তার দায়ে দোষী সাব্যস্ত
-
বর্তমানে কারাদণ্ড ভোগ করছেন
🧠 Epstein File কেন এত আলোচিত?
-
প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ, রাজপরিবার, ধনকুবেরদের নাম
-
ক্ষমতার অপব্যবহার ও বিচারব্যবস্থার প্রশ্ন
-
অনেক নথি এখনো পুরোপুরি প্রকাশ হয়নি
-
“কারা বাঁচলো, কারা ধরা পড়লো”—এই বিতর্ক
⚖️ আইনি ও নৈতিক সতর্কতা (এই অংশটা রাখলে ভালো)
Epstein File–এ নাম থাকা মানেই কেউ অপরাধী—এমনটি আইনি ভাবে প্রমাণিত নয়।
আদালতের রায় ছাড়া কাউকে দোষী বলা সাংবাদিকতা নীতির পরিপন্থী
Last update :-
নতুন প্রকাশিত একটি নথিতে বলা হচ্ছে, এপস্টিন একা ছিল না। তার ওপরে একজন “বস” ছিল। আর এপস্টিন মারা যাওয়ার পর থেকেই সেই চক্র তার ভাইকে হুমকি দিতে শুরু করে।
জেফ্রি এপস্টিনের মৃত্যুর পর তার ভাই মার্ক এল. এপস্টিন হুমকি পান। এক বার্তায় লেখা হয়,
“আমি তোমাকে তোমার ভাইয়ের মতোই শ্বাসরোধ করে মারব।”
আরেকটি বার্তায় আরও ভয়ংকর ইঙ্গিত দেওয়া হয়—
“তোমার ভাইয়ের ভুল ছিল, সে আদালতে সবকিছু বলতে চেয়েছিল। বস তোমার সঙ্গে দেখা করতে চায়। সে শুধু দেখতে চায় তুমি তাকে চেনো কি না।”
২০২০ সালের ২৬ মে, অর্থাৎ জেফ্রি এপস্টিনের মৃত্যুর এক বছর পর, তার ভাই মার্ক এল. এপস্টিন ও তার আইনজীবী স্টেসি রিচম্যানের কাছে একটি মৃত্যুহুমকির ইমেইল আসে। সেখানে লেখা ছিল,
“তোমরা আমাদের চেনো না, এটা নিশ্চিত। তোমার সুন্দর সন্তান আছে। তোমার সন্তানদের ধ্বংস হোক।
কাকে আগে মারব বলো? কেউ জানবে না আমরা কারা। এমনভাবে হত্যা করব, যাতে কেউ বুঝতেই না পারে তারা কীভাবে মরেছে। আমাদের কাছে নথি আছে, যা দেখায় তোমার ভাইয়ের সঙ্গে তোমার অংশীদারিত্ব ছিল। আমি তোমার প্রিয় মানুষদের মৃত্যু নিজের চোখে দেখতে চাই। ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তোমার এক সন্তানকে হত্যা করা হবে।”
এই ইমেইলটি পাঠানো হয়েছিল “PuggieKiller” নামের একটি আইডি থেকে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এপস্টিন পরিবারের মধ্যে মার্ক এল. এপস্টিনকে “পাগি” নামেই ডাকা হতো।
এই নথিগুলো ইঙ্গিত দেয়, এপস্টিনের মৃত্যুর পরও তার চারপাশের অদৃশ্য শক্তি ও ভয়ংকর নেটওয়ার্ক একটিভ। এবং এপস্টিনকে জেলের ভেতরে "মেটিকুলাস" ডিজাইনে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।
নতুন প্রকাশিত এপস্টিন–সংক্রান্ত নথিতে কাতারের শাসক পরিবার আল–থানির নাম মোট ২৯৭ বার উঠে এসেছে।
নথিগুলো থেকে বোঝা যাচ্ছে, এপস্টিনের সঙ্গে আল–থানি পরিবারের নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।

0 মন্তব্যসমূহ
Thank you for feedback