গণভোট দিবস: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | সময়: সকাল ৭:৩০ - বিকাল ৪:৩০
গণভোট আসলে কি জিনিস? এটা আমাদের কি কাজে লাগবে!
- গণভোটও এক ধরনের ভোট বা নির্বাচন।
- অন্যান্য নির্বাচনে প্রার্থী থাকে, কিন্তু গণভোটে কোনও প্রার্থী নেই।
- গণভোটে ভোট দিতে হয় কিছু প্রস্তাবের পক্ষে অথবা বিপক্ষে "হ্যাঁ" অথবা "না" ভোট প্রদানের মাধ্যমে।
- গণভোটে "হ্যাঁ" বিজয়ী হলে রাষ্ট্র চালানোর পদ্ধতির গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটে।
গণভোট ২০২৬ কেন হচ্ছে?
২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট জনগণ যে আকাঙ্ক্ষা নিয়ে গণঅভ্যুত্থান ঘটিয়েছিল সেটা পূরণের রূপরেখা
গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষায় প্রণীত "জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫" এর গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশসমূহ বাস্তবায়নের পদ্ধতি
জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫ এ কী আছে?
রাষ্ট্রের সংস্কার ও চরিত্র বদলের জন্য অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ রয়েছে, যা বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও জোটের দীর্ঘদিনের আলাপ-আলোচনার মধ্য দিয়ে চূড়ান্ত করা হয়।
গণভোটে হ্যাঁ ভোট দিলে যা যা পাবে:-
- সরকারি দল ইচ্ছেমতো সংবিধান সংশোধন করতে পারবে না।
- সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে গণভোটের বিধান চালু হবে।
- বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার এবং গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় কমিটিসমূহের সভাপতি নির্বাচিত হবেন।
- যত মেয়াদই হোক, কেউ সর্বোচ্চ ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না।
- সংসদে নারীর প্রতিনিধিত্ব পর্যায়ক্রমে বাড়বে।
- ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার জন্য পার্লামেন্টে একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হবে।
- দেশের বিচারব্যবস্থা স্বাধীনভাবে কাজ করবে।
- আপনার মৌলিক অধিকারের সংখ্যা (যেমন: ইন্টারনেট সেবা কখনও বন্ধ করা যাবে না) বাড়বে।
- দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীকে রাষ্ট্রপতি ইচ্ছেমতো ক্ষমা করতে পারবেন না।
- রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য থাকবে।
- রাষ্ট্রভাষা বাংলার মর্যাদার পাশাপাশি অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর ভাষারও সাংবিধানিক স্বীকৃতি হবে।
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন ও সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) গঠনে সরকারি দল ও বিরোধী দল একত্রে কাজ করবে।

0 মন্তব্যসমূহ
Thank you for feedback